শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর আগে, শুক্রবার রাতে সুবর্ণচর উপজেলা থেকে এবং শনিবার সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন সুবর্ণচরের চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সেলিমের মেয়ে ফাহিমা আক্তার পপি (২২) এবং কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আকবর হোসেনের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার তন্নি (২৩)।
অন্যদিকে, কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া ইউনিয়নে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ওপর অভিমান করে তন্নি শনিবার ভোরে বাবার বাড়ির শয়নকক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া জানান, “আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুস সুলতান বলেন, “স্বামীর ওপর অভিমান করে তন্নি গলায় ফাঁস দেন। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।”
0 Comments