“সকাল-বিকেল চুলা জ্বলে না”—অসহ্য দুর্ভোগে পরিবারগুলো
স্থানীয়বাসীর অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে নির্দিষ্ট সময়ে গ্যাসের চাপ না থাকায় রান্না করা দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। অনেক এলাকায় পুরো রাত গ্যাস বন্ধ থাকে। ফলে স্কুল–কলেজগামী শিক্ষার্থী থেকে কর্মজীবী মানুষেরা ভোরে খাবার ছাড়াই বের হতে বাধ্য হচ্ছেন।
হোটেল, বেকারি, লন্ড্রি ও ক্ষুদ্র শিল্প মালিকরা জানান—গ্যাস সংকট তাদের ব্যবসাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে বিপর্যয়ের মুখে।
অভিযোগের পাহাড়–কিন্তু উদ্যোগ শূন্য
বিক্ষোভে বক্তারা অভিযোগ করেন, বারবার অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। বরং বিল নিয়ে জটিলতা, হয়রানি ও অনিয়ম বেড়েই চলেছে।
এক পর্যায়ে দুপুর ১টার দিকে উত্তেজিত বিক্ষোভকারীরা গ্যাস অফিসের ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও কাচ ভাঙচুর ও আসবাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।
“পাইপে গ্যাস, ঘরে আসে না”—২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা, বিল ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ করা এবং স্থায়ী সমাধানের রোডম্যাপ প্রকাশের দাবি জানান।
গ্যাস অফিসের ব্যাখ্যা
গ্যাস অফিসের একটি সূত্র জানায়, লাইন মেরামত, চাপ কমে যাওয়া এবং অতিরিক্ত সংযোগের কারণে সংকট তৈরি হয়েছে। তবে ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

0 Comments